Search Box

Wednesday, November 6, 2013

মিডিয়াটেক মোবাইল প্রসেসর সমূহ

সর্বনিম্ন দামে সর্বাধিক ফিচার দেওয়ার মাধ্যমেই ২০,০০০ টাকার নিচের অ্যান্ড্রয়েড বাজারে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে ওয়াল্টন, সিম্ফোনি বা মাইক্রোম্যাক্স। এসব ব্র্যান্ডের ফোনের মূল প্রাণশক্তি হচ্ছে মাত্র অল্প কয়টি চিপসেট, যেগুলো ব্যবহার করেই অনেক মডেলের ফোন তারা বাজারে নিয়ে আসছে। সুতরাং এই রিভিউর উপর ভিত্তি করে ইতোমধ্যেই বাজারে থাকা বেশ কিছু ডিভাইস এবং সামনে যেসব ফোন আসবে তাদের পারফরম্যান্স কেমন হতে পারে তা সে ফোনের চিপসেট-মডেল মিলিয়ে অনুমান করা সম্ভব।
Mediatek
মিডিয়াটেক চীনের অন্যতম বড় মাইক্রোচিপ ও মাল্টিমিডিয়া পণ্য ( টিভি ও ডিভিডি/ব্লু-রে প্লেয়ার ও হোম থিয়েটার) তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান, যারা মোবাইলের সিস্টেম-অন-চিপের পাশাপাশি কম্পিউটারের ওয়াইফাই, ব্লুটুথ এসব আরএ লিঙ্ক নামে তৈরি করে থাকে। মিডিয়াটেকের অ্যান্ড্রয়েড ছাড়াও সাধারণ ফোনও রয়েছে, সেগুলোও আমাদের দেশের বিভিন্ন কোম্পানি বাজারজাত করছে। অন্যান্য চিপের তুলনায় মিডিয়াটেকের চিপ কম শক্তি ব্যয় করায় ব্যাটারি ব্যাকআপ ও বেশি পাওয়া যায় আবার ফোন গরমও কম হয়, যার কারণে এদের বাজার দিন কে দিন বেড়েই চলেছে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে মিডিয়াটেকের প্রধানত ৩টি চিপ দেখা যায়, সামনে আরেকটি আসছে শীঘ্রই। সেগুলো হচ্ছে:
১. সিঙ্গল কোর MTK6575, যা সাধারণত ৫০০০ টাকার নিচের ফোনে বা ট্যাবে দেখা যায়;
২. ডুয়াল কোর MTK6577,MT6572, যা সাধারণত ৬-৯০০০ টাকার ফোনে বা ট্যাবে দেখা যায়;
৩. কোয়াড কোর MTK6589, 6589T, 8389,MT6582,MT6588 যা সাধারণত ১১০০০+ টাকার ফোনে বা ট্যাবে থাকে।
৪. অক্টা-কোর MTK6592
৫. মিডিয়াটেকের MT8xxx সিরিজ
এবার প্রতিটি চিপ নিয়ে বিস্তারিত।

১. সিঙ্গল কোর MTK6575

এমটিকে ৬৫৭৫ চিপ তৈরি করা হয়েছে সবচেয়ে কম দামের মধ্যে যত দূর সম্ভব সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দেওয়ার জন্যে। এতে যা থাকছেঃ
- ১ গিগাহার্জ Cortex-A9 সিপিউ, ARM-v7 NEON (NEON হচ্ছে ভিডিও প্লেব্যাকের জন্যে)
- পাওয়ারভিয়ার ৫৩১ জিপিউ, সাধারণ সব গেম ও বেশ কিছু এইচডি মানের গেম খেলার উপযোগী।
- ৭২০পি ভিডিও প্লেব্যাক করার ক্ষমতা।
- সর্বোচ্চ ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর সাপোর্ট, ৪৮০পি ভিডিও রেকর্ড (যদিও এই চিপের ফোনে ৫ মেগাপিক্সেলের বেশি থাকে না)
- সর্বোচ্চ qHD মানের (৯৬০ x ৫৪০) ডিসপ্লে (যদিও HVGA , 480 x 800 মানের বেশি দেখা যায় না)
- 3D ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট, ফোনের ডিসপ্লের উপর নির্ভরশীল।
- ১৫০০-২০০০ mAh ব্যাটারিতে প্রায় ৫০০ ঘন্টা স্ট্যান্ডবাই, ৮ ঘন্টা ৩জি টক টাইম, এবং ৬ ঘন্টা ৩ডি গেমিং।
- এই চিপে সাধারণত ২৫৬-৫১২ মেগাবাইট র্যাম দেয়া হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ২.৩ – ৪.০ এর উপযোগী করে তৈরি।
- AnTuTu বেঞ্চমার্ক সাধারণত ৩০০০-৪৫০০ হয়ে থাকে।

২. ডুয়াল কোর MTK6577

মিডিয়াটেক এই চিপটি তৈরি করে ৬৫৭৫ চিপের পরবর্তী সংস্করণ হিসেবে। এটি ৬৫৭৫এর চেয়ে ৪০% বেশি শক্তিশালী। এই চিপের লক্ষ্য বাজেটের ভেতর যত দূর সম্ভব ব্যবহারকারীকে সর্বাধুনিক স্মার্টফোনের স্বাদ দেয়া।
যা থাকছেঃ
- ১ গিগাহার্জ ডুয়াল-কোর Cortex-A9 ARM-v7 NEON প্রসেসর।
- পাওয়ারভিআর ৫৩১ জিপিউ, তবে ডুয়াল-কোর হওয়ায় প্রায় সব এইচডি গেম সাপোর্ট।
- ১০৮০পি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট।
- ৮ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত ক্যামেরা সাপোর্ট, ৭২০পি ভিডিও রেকর্ড।
- ৩ডি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট, ফোনের ডিস্প্লের উপর নির্ভর শীল।
- সর্বোচ্চ qHD মানের (৯৬০ x ৫৪০) ডিসপ্লে (যদিও HVGA , 480 x 800 মানের বেশি দেখা যায় না)
- ১৫০০-২০০০ mAh ব্যাটারিতে প্রায় ৫০০ ঘন্টা স্ট্যান্ডবাই, ৮ ঘন্টা ৩জি টক টাইম, এবং ৪.৫ ঘন্টা ৩ডি গেমিং।
- এই চিপে সাধারণত ৫১২ মেগাবাইট – ১গিগাবাইট র্যাম দেয়া হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৪.০-৪.১ এর উপযোগী করে তৈরি।
- AnTuTu বেঞ্চমার্ক স্কোর সাধারণত ৬০০০-৭৮০০ হয়ে থাকে।
একই রকম ফিচার সমৃদ্ধ নতুন চিপ MT6572 বাজারে এসেছে, যাতে নতুন থাকছে:
- ১.৩ গিগাহার্য ডুয়াল-কোর Cortex-A7 ARM-v7 NEON প্রসেসর।
- মালি-৪০০ MP1 জিপিউ, যা আগের পাওয়ারভিআর ৫৩১ এর চেয়ে শক্তিশালী।
- অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.২ উপোযোগী।

৩. কোয়াড কোর MTK6589/T

মিডিয়াটেক এই চিপটি তৈরি করে পৃথিবীর সবচেয়ে কমদামে কোয়াড-কোর সিস্টেম অন চিপ তৈরির লক্ষ্যে। ২৮ ন্যানোমিটার ট্রানজিস্টরের এই চিপ তুলনামূলক কম দামে ২০১১-১২ সালের সেরা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সমান পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম।
যা রয়েছে এই চিপেঃ
- ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড-কোর Cortex-A7 ARM-v7 NEON প্রসেসর (A9 ব্যবহার হয়নি ব্যাটারি লাইফ বাড়াতে)।
- পাওয়ারভিআর ৫৪৪ জিপিউ, কোয়াড-কোর। এ সময়ের প্রায় সব এইচডি গেম সাপোর্ট, ২-৩ টা ছাড়া বাকি সব সর্বোচ্চ গ্রাফিক্সে খেলা যাবে।
- ১০৮০পি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট।
- ১২ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত ক্যামেরা সাপোর্ট, ১০৮০পি ভিডিও রেকর্ড।
- ৩ডি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট, ফোনের ডিসপ্লের উপর নির্ভরশীল।
- ফুল HD মানের (১৯২০ x ১০৮০) ডিসপ্লে (যদিও qHD , ৯৬০ x ৫৪০ ও ৭২০পি, ১২৮০ x ৭২০ মানের বেশি দেখা যায় না)।
- ২৫০০-৩০০০ mAh ব্যাটারিতে প্রায় ৫০০ ঘন্টা স্ট্যান্ডবাই, ১০ ঘন্টা ৩জি টক টাইম, এবং ৬ ঘন্টা ৩ডি গেমিং।
- এই চিপে সাধারণত ১-২গিগাবাইট র্যাম দেয়া হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৪.১-৪.২ এর উপযোগী করে তৈরি, ভবিষ্যতে ৪.৩ ও চলার সম্ভাবনা প্রবল।
- AnTuTu বেঞ্চমার্ক স্কোর সাধারণত ১২০০০-১৪০০০ (8389T ১৫০০০+) হয়ে থাকে।
কিছু ফোনে MTK6589T প্রসেসর রয়েছে, ধরে নেওয়া হয় এটি ওভার ক্লক করা MTK6589ই।
এই চিপের নতুন দুটি সংস্করণ বাজারে এসেছে:
MT6582:
- ১.২ এর বদলে ১.৩ গিগাহার্য প্রসেসর।
- পাওয়ারভিয়ার ৫৪৪ এর বদলে মালি-৪০০ MP2 জিপিউ।
এছাড়া বাকি সব ফিচার অপরিবর্তিত।
MT6588
মূলত MTK6589T এর আধুনিক সংস্করণ, নতুন থাকছে:
- ১.৫ এর বদলে ১.৭ গিগাহার্য প্রসেসর।
- পাওয়ারভিয়ার ৫৪৪ এর বদলে মালি-৪৫০MP4 জিপিউ।

৪. অক্টা কোর MT6592

সর্বপ্রথম মোবাইল অক্টা-কোর প্রসেসর তৈরি করে স্যামসাং সারা ফেলে দিলেও আমরা পরে জানতে পেরেছি সেটি আসলে একটি Cortex-A15 কোয়াড-কোর ও একটি কোয়াড-কোর Cortex-A7 চিপের সংমিশ্রন, অর্থাৎ একই সাথে ৮টি কোর সচল থাকছেনা। মিডিয়াটেক তাই এই চিপ টি তৈরি করে প্রথম সত্যিকারের অক্টা-কোর চিপ হিসেবে, যাতে ৮টি কোরই সব সময় সচল থাকে।
MT6592
যা যা আছে এই চিপে:
- ১.৭ গিগাহার্য Cortex-A7 ARM-V7 NEON অক্টা-কোর প্রসেসর, যার সব সময় সব গুলো কোর সচল থাকবে।
- মালি-৪৫০ MP4 জিপিউ, কোয়াড-কোর। এ সময়ের প্রায় সব এইচডি গেম সাপোর্ট, সব গেম সর্বোচ্চ গ্রাফিক্সে খেলা যাবে।
- ১০৮০পি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট।
- ১৩ মেগাপিক্সেল পর্যন্ত ক্যামেরা সাপোর্ট, ১০৮০পি ভিডিও রেকর্ড।
- ৩ডি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট, ফোনের ডিসপ্লের উপর নির্ভরশীল।
- ফুল HD মানের (১৯২০ x ১০৮০) ডিসপ্লে (যদিও qHD , ৯৬০ x ৫৪০ ও ৭২০পি, ১২৮০ x ৭২০ মানের বেশি দেখা যায় না)।
- ২৫০০-৩০০০ mAh ব্যাটারিতে প্রায় ৪০০ ঘন্টা স্ট্যান্ডবাই, ৭ ঘন্টা ৩জি টক টাইম, এবং ৫ ঘন্টা ৩ডি গেমিং।

৫. মিডিয়াটেকের MT8xxx সিরিজ

মিডিয়াটেকের ৬৫xx সিরিজ ছাড়াও ট্যাবলেটের জন্যে তৈরি ৮xxx সিরিজ রয়েছে। এগুলো মূলত ৬৫xx সিরিজের মতই, শুধু ট্যাবের কারণে এতে অল্প কিছু নতুন ফিচার যোগ করা হয়েছে। সেগুলো নিচে দেয়া হলো।
i) চিপের নামঃ MT8377
মূল চিপঃ MTK6577
পার্থক্যঃ ১০৮০পি ভিডিও প্লেব্যাক সাপোর্ট, ১০৮০ x ৭২০পি ডিসপ্লে সাপোর্ট।
ii) চিপের নামঃ MT8377
মূল চিপঃ MTK6577
পার্থক্যঃ সনি ব্রাভিয়া ইঞ্জিনের মত মিডিয়াটেকের মিরাভিশন ইঞ্জিন। ওয়াইফাই এর মাধ্যমে ডিসপ্লে (মিরাক্যাস্ট) সাপোর্ট।
একই চিপের তৈরি ফোন এবং ট্যাবে কাছাকাছি পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে। এসব চিপের যেটায় যেসব গেম বা সফটওয়্যার চলে সেই চিপের সব ফোন ও ট্যাবে সেগুলো চলবে। আর যে চিপ যে উপায়ে রুট হয় সে চিপের সব ফোন ও ট্যাব সে উপায় রুট করা যাবে। মিডিয়াটেকের চিপে সাধারণত ওটিজি সাপোর্ট থাকে না, কিছু ফোন ও ট্যাবে বিশেষ উপায় সেগুলো দেয়া হয়। মিডিয়াটেকের সব চিপের ড্রাইভার ও ফ্ল্যাশ টুল সাধারণত একই রকম হয়ে থাকে। তবে এক মডেলের চিপের কার্নেল অন্য মডেলে চলবে না।
বাজারে মিডিয়াটেকের চিপের উপর ভিত্তি করে তৈরি ফোনের অভাব নেই। তাই যদি নামী দামী ব্র্যান্ডের ফোন না হয় (ট্যাবের ক্ষেত্রেও, যদি সিম সাপোর্টেড হয়) তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে সেটিও এগুলোরই কোনো একটি চিপের। যদি বলে না দেয়া থাকে তা হলেও খুব সহজেই CPU/RAM/DEVICE IDENTIFIER ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটলের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন ফোন বা ট্যাবের চিপ কোনটি।
এই সুদীর্ঘ পোস্টটি ধৈর্য ধরে পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। আশা করি মিডিয়াটেকের বিভিন্ন চিপসেট সম্পর্কে কিছুটা হলেও আলোকপাত করতে পেরেছি। আপনাদের মতামত এবং আরো কিছু তথ্য যেগুলো হয়ত বাদ পড়েছে সেসব জানিয়ে আমাদের এখানে মন্তব্য করতে ভুলবেন না।
Read more ...

টেলিটক থ্রিজি'র বিস্তারিত ট্যারিফ প্ল্যান

টেলিটক তাদের নিজেদের ওয়েবসাইটে থ্রিজি'র ট্যারিফ প্ল্যান ঘোষণা করেছে।
টেলিটকের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, 'প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ'র সিমের মূল্য রাখা হয়েছে ৯০০ টাকা। এতে ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ডাটা, ৫০০ মিনিট ভয়েস কল, ৫০০ মিনিট ভিডিও কল এবং ১০০০টি এসএমএস ফ্রি দেওয়া হয়েছে।
ভয়েস কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১০ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
ভিডিও কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫০ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ২০ পয়সা।
এফএনএফ: ১টি
এফএনএফ কল রেট
ভয়েস কল রেট:> সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
ভিডিও কল রেট: সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৫ পয়সা।
এসএমএস: প্রতিটি ১৫ পয়সা।
অন্যান্য সেবা
এসএমএস: প্রতিটি ৪৫ পয়সা।
এমএমএস: প্রতিটি ৩ টাকা।
ইন্টারনেট ডাটা: প্রতি ৫ কেবি ১ পয়সা।
প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* শুধুমাত্র নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ।
* সিম চালু হওয়ার পর থ্রিজি সেবার ভিডিও কল, মোবাইল টিভি, দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা এবং থ্রিজির অন্যান্য সেবা উপভোগ করা যাবে।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবিট এবং বান্ডিল প্যাকেজে তা ২ মেগা্বিট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
* যেকোনো প্লানের থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা পেতে সাবস্ক্রিপশন কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* প্রাথমিক অবস্থায় ভয়েস এবং ভিডিও কল শুধুমাত্র টেলিটক থেকে টেলিটকে ব্যবহার করা যাবে।
* সকল সার্ভিসেই ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান
১২৮ কেবিপিএস স্পিড(kbps)
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D7
২ জিবি: মূল্য ৩৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D11
আনলিমিটেড: মূল্য ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D12
২৫৬ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ১৭৫ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D14
৪ জিবি: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D16
আনলিমিটেড: মূল্য ১,০৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D17
৫১২ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D19
২ জিবি: মূল্য ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D20
১০ জিবি: মূল্য ১,০০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D22
১ এমবিপিএস
৪ জিবি: মূল্য ৮০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D25
৮ জিবি: মূল্য ১,২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D26
২ এমবিপিএস
১০ জিবি: মূল্য ২,৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D27
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* যেকোনো প্লানে সাবস্ক্রাইব করতে প্যাকেজ কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* ৩০ দিনের ২ জিবি ডাটার ৫১২ কিলোবাইট ইন্টারনেট স্পিড প্যাকেজ পেতে হলে আপনাকে D20 লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* যদি কোনো প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তা পরবর্তী প্যাকেজে আর ব্যবহার করা যাবে না।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবাইট এবং বান্ডেল প্যাকেজে তা ২ মেগাবাইট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
মোবাইল ইন্টারনেট প্লান (২জি এর জন্য)
৫ মেগাবাইট: মূল্য ৪ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D1
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ২ দিন, প্যাকেজ কোড D2
৩০ মেগাবাইট: মূল্য ২০ টাকা, মেয়াদ ৭ দিন, প্যাকেজ কোড D3
২৫০ মেগাবাইট: মূল্য ১০০ টাকা, মেয়াদ ১৫ দিন, প্যাকেজ কোড D4
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D5
আনলিমিটেড: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D6
টেলিটক মোবাইল টিভি
মোবাইলে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখতে চান? তাহলে আপনার
মোবাইল থেকে ভিজিট করুন: http://wap.portal.teletalk.com.bd
পিসি থেকে ভিজিট করুন: http://portal.teletalk.com.bdটেলিটক তাদের নিজেদের ওয়েবসাইটে থ্রিজি'র ট্যারিফ প্ল্যান ঘোষণা করেছে।
টেলিটকের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, 'প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ'র সিমের মূল্য রাখা হয়েছে ৯০০ টাকা। এতে ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ডাটা, ৫০০ মিনিট ভয়েস কল, ৫০০ মিনিট ভিডিও কল এবং ১০০০টি এসএমএস ফ্রি দেওয়া হয়েছে।
ভয়েস কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১০ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
ভিডিও কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫০ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ২০ পয়সা।
এফএনএফ: ১টি
এফএনএফ কল রেট
ভয়েস কল রেট:> সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
ভিডিও কল রেট: সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৫ পয়সা।
এসএমএস: প্রতিটি ১৫ পয়সা।
অন্যান্য সেবা
এসএমএস: প্রতিটি ৪৫ পয়সা।
এমএমএস: প্রতিটি ৩ টাকা।
ইন্টারনেট ডাটা: প্রতি ৫ কেবি ১ পয়সা।
প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* শুধুমাত্র নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ।
* সিম চালু হওয়ার পর থ্রিজি সেবার ভিডিও কল, মোবাইল টিভি, দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা এবং থ্রিজির অন্যান্য সেবা উপভোগ করা যাবে।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবিট এবং বান্ডিল প্যাকেজে তা ২ মেগা্বিট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
* যেকোনো প্লানের থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা পেতে সাবস্ক্রিপশন কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* প্রাথমিক অবস্থায় ভয়েস এবং ভিডিও কল শুধুমাত্র টেলিটক থেকে টেলিটকে ব্যবহার করা যাবে।
* সকল সার্ভিসেই ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান
১২৮ কেবিপিএস স্পিড(kbps)
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D7
২ জিবি: মূল্য ৩৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D11
আনলিমিটেড: মূল্য ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D12
২৫৬ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ১৭৫ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D14
৪ জিবি: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D16
আনলিমিটেড: মূল্য ১,০৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D17
৫১২ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D19
২ জিবি: মূল্য ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D20
১০ জিবি: মূল্য ১,০০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D22
১ এমবিপিএস
৪ জিবি: মূল্য ৮০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D25
৮ জিবি: মূল্য ১,২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D26
২ এমবিপিএস
১০ জিবি: মূল্য ২,৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D27
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* যেকোনো প্লানে সাবস্ক্রাইব করতে প্যাকেজ কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* ৩০ দিনের ২ জিবি ডাটার ৫১২ কিলোবাইট ইন্টারনেট স্পিড প্যাকেজ পেতে হলে আপনাকে D20 লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* যদি কোনো প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তা পরবর্তী প্যাকেজে আর ব্যবহার করা যাবে না।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবাইট এবং বান্ডেল প্যাকেজে তা ২ মেগাবাইট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
মোবাইল ইন্টারনেট প্লান (২জি এর জন্য)
৫ মেগাবাইট: মূল্য ৪ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D1
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ২ দিন, প্যাকেজ কোড D2
৩০ মেগাবাইট: মূল্য ২০ টাকা, মেয়াদ ৭ দিন, প্যাকেজ কোড D3
২৫০ মেগাবাইট: মূল্য ১০০ টাকা, মেয়াদ ১৫ দিন, প্যাকেজ কোড D4
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D5
আনলিমিটেড: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D6
টেলিটক মোবাইল টিভি
মোবাইলে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখতে চান? তাহলে আপনার
মোবাইল থেকে ভিজিট করুন: http://wap.portal.teletalk.com.bd
পিসি থেকে ভিজিট করুন: http://portal.teletalk.com.bd
Read more ...

অ্যাডসেন্সের টাকা সরাসরি ব্যাংকে পাঠাবে গুগল

বাংলাদেশি অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে গুগল। এখন থেকে চেকের বদলে ব্যাংকে ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে ঘরে আনা যাবে গুগল অ্যাডসেন্সের আয়। মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছেন গুগল বাংলাদেশের কান্ট্রি কনসালট্যান্ট কাজী মনিরুল কবীর। খবর টেক শহরের।

কয়েক মাস ধরে দেশের অ্যাডসেন্স পাবলিশাররা চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে তাদের অর্জিত অর্থ তুলতে পারছিলেন না। গুগল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই বিষয়ে গুগল প্রধান কার্যালয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য যোগাযোগ করে আসছিলেন। তারই পরিপেক্ষিতে গুগল ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে অ্যাডসেন্সের আয় তোলার নতুন পদ্ধতি চালু করবো। কাজী মনিরুল কবীর বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ওয়্যার ট্রান্সফার চেকের পরিবর্তে দ্রুত, সহজ ও নিরাপদ একটি মাধ্যম। আগের পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারকারীরা নতুন পেমেন্ট সিস্টেমে অ্যাকাউন্ট আপগ্রেড করার মাধ্যমে এই সুবিধা পাবেন। যারা এখনো নতুন পেমেন্ট সিস্টেমে আপগ্রেড করেন নাই অথচ অ্যাকাউন্টে ১০০ ডলারের বেশি জমা হয়েছে তারা অ্যাকাউন্ট আপগ্রেড করে নভেম্বর মাসেই এই সুবিধা পাবেন। ফলে এই মাস থেকেই চেকের পরিবর্তে অ্যাডসেন্সের অর্থ পাওয়া যাবে ব্যাংকেই। গুগল ওয়্যার ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে কোনো চার্জ নেই। তবে ব্যবহারকারীকে অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল ওয়্যার ট্রান্সফারের জন্য সংশ্লিষ্ঠ ব্যাংকের চার্জ সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো। অ্যাকাউন্ট আপগ্রেড করার জন্য অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে ব্যাংকের দেওয়া তথ্য সংযুক্ত করতে হবে। গুগল হেল্প সেন্টারে ওয়্যার ট্রান্সফার সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। বাংলাদেশে অবস্থানরত অ্যাডসেন্স পাবলিশাররা দেশীয় যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই সুবিধা পাবে বলে জানান তিনি। শীঘ্রই আরও অনেক দেশের জন্য এই সুবিধা চালু করবে গুগল।
Read more ...

Tuesday, November 5, 2013

avast! Internet Security 2014। সাথে ২০১৬ পর্যন্ত লাইসেন্স

ভাল না থাকলেও আজকের পোস্ট দেখে নিশ্চয় ভাল হয়ে যাবেন হাহাহ :lol: কারণ আজ দিচ্ছি avast! Internet Security 2014। এবং সাথে ২০১৬ পর্যন্ত লাইসেন্স ফাইল !  :roll:   তাও একদম ফ্রি তে !!  ;-) বিশ্বাস হচ্ছেনা না কি ? বিশ্বাস না হওয়ার কোন কথা না আসলেই আমি সত্যি বলছি ;-)
অ্যাভাস্ট ইন্টারনেট সিকিউরিটির নিয়ে কিছু বলতে হবে আপনাদের ? যদি বলেন তাহলে বলি?  8-) আমি জানি আপনারা বলেবেন না অ্যাভাস্ট নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নাই :P বলবেন যেটা তা হল ভাই ডাউনলোড লিংক দেন কিচ্ছা শুনতে চাই না :-D   যাইহোক আমিও হেন তেন এটা সেটা বলে পোস্ট লম্বা করতে চাই না !
প্রথমে =এখান= থেকে avast! Internet Security 2014  ৩০ দিনের ট্রায়েল ভার্সন ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড করে নরমাল নিয়মে ইন্সটল করুন পিসি বা ল্যাপটপে।
এখন নিচে দেয়া ২ টা লিংক থেকে (avast!2014 BIM) নামে লাইসেন্স ফাইল টি ডাউনলোড করে নিন
ডাউনলোড লিংক ১ > ziddu.com
ডাউনলোড লিংক ২ > arabloads.com
এখন অ্যাভাস্ট রেজিস্ট্রেশন অংশে যাবেন এবং>> insert license file << ক্লিক করে ডাউনলোড করা লাইসেন্স ফাইল ( avast!2014 BIM) টা লোড করে দিন অ্যান্ড ইঞ্জয় করুন avast! Internet Security 2014 ২ বৎসর ২০১৬ পর্যন্ত  :-D !!


খুশি তো ? আর যদি কোন প্রবলেম হয় তাহলে অবশ্যই জানাবেন সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো ! যদি না জানান তাহলে সমাধান কেমনে দিব বলেন ? তাহলে পোস্ট টা কেমন লাগল , বা অ্যাভাস্ট ২০১৪ সম্পর্কিত কোন জিজ্ঞাসা থাকলেও জানাবেন নিচের কমেন্ট বক্সে
Read more ...

Monday, November 4, 2013

বাংলাদেশে আসছে না পেপল


বাংলাদেশকে সরাসরি না বলেছে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপল। প্রতিষ্ঠানটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে আপাতত তারা বাংলাদেশে অপারেশন শুরু করতে পারছে না। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দূর্বলতার অভিযোগ এনে বাংলাদেশে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেপল। ফলে প্রায় ৫০ হাজার ফ্রি ল্যান্সার যারা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করেন তাদের আর্থিক লেনদেনের জটিলতার বিষয়টি অমীমাংসিত রয়ে গেল তবে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টরা এখনো আশা করছেন, আপাতত বিমুখ হলেও পেপল ইনকরপোরেট ২০১৫ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, এটা ঠিক পেপল আপাতত বাংলাদেশে আসছে না। তবে কোনো দুর্বলতার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের সব নীতি তাদের মানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি আমাদের জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার জন্য আলাদা সফটওয়্যার করে তারপর আমাদের দেশে আসবে। এমন কথা জানিয়ে পেপলের প্রধান নির্বাহী আমাদের চিঠি দিয়েছে। তবে আমরা চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব পেপলকে দেশে নিয়ে আসতে।
 এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার ও ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বেসিস এতটা নীতি সহায়তা দেওয়ার পরও পেপল আপাতত না আসার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের জন্য দুঃখজনক। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে পেপলকে দ্রুত নিয়ে আসতে। শামীম আহসান বলেন, আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সাররা গত বছর ৪ কোটি ডলার রাজস্ব আয় করেছে। এ ছাড়াও সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলো আয় করেছে আরো ১০ কোটি ডলার। এর বাইরেও আরো ৮ কোটি ডলার দেশে এসেছে বলে ধারণা করা যাচ্চে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে এ আয় ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছবে। স্বল্প খরচে এবং স্বীকৃতভাবে আয়ের অর্থ দেশে আনতে পেপলকে বাংলাদেশে আনতে হবে। সূত্র জানিয়েছে, গত প্রায় দু বছর ধরে আশা করা হচ্ছিল, পেপল বাংলাদেশে আসছে। ফলে অনলাইন ফ্রি ল্যান্সার ও ওয়েব উদ্যোক্তাদের বৈদেশিক মুদ্রার আয় দেশে আনা সহজ হয়ে যাবে। এ মুহূর্তে দেশে ৫০ হাজার ফ্রি ল্যান্সার কাজ করছে। আগামী বছর এ সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পেপল বাংলাদেশকে জানিয়ে দিয়েছে তারা আপাতত বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না। বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতাকে এ জন্য কারণ হিসেবে দেখিয়েছে ১৯৯৩ সালে ইউরোপে কার্যক্রম শুরু করা এ আর্থিক সংস্থাটি। গত দু বছর ধরে সংস্থাটিকে দেশে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বিভিন্ন সময় নানা অনুষ্ঠানে বলেছেন, চলতি বছরেই পেপল বাংলাদেশে আসছে। সূত্র বলছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পেপলের আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থেকে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে যান। তারা ওই সময় বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠকও করেন। সে সময় আইনগত নানা দিক পর্যালোচনা করে যায়। বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্টের ঝুঁকি পর্যালোচনা করে একটি মতামত দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ায়। মূলত ওই প্রতিনিধি দলের মতামতের ভিত্তিতে পেপল সদর দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে না আসার। এ মুহূর্তে বিশ্বের ১৯৩টি দেশে পেপল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশ্বের প্রায় ১৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ এ সেবার সুবিধা উপভোগ করছেন।

২৬টি মুদ্রায় এ প্রতিষ্ঠানটি লেনদেন পরিচালনা করে। এ মুহূর্তে দেশের ৫০ হাজার ফ্রি ল্যান্সার মাসে গড়ে প্রায় ৪০০ ডলার অবধি আয় করতে পারেন। কিন্তু বর্তমানে তারা বছরে গড়ে মাত্র ১৫ ডলার আয় করছে। কেউ কেউ মাসে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ডলার আয় করতে পারে। কিন্তু বৈধভাবে ৫০০ ডলারের বেশি দেশে আনার সুযোগ নেই। পেপল দেশে কার্যক্রম শুরু করলে এ আর্থিক লেনদেন জটিলতা আর থাকত না। প্রসঙ্গত, এ বছরেই পেপল ২ হাজার কোটি ডলারের লেনদেন করবে বলে ধারণা করছে। বর্তমান পেপল ইবে ইনকরপোরেটের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইবে পেপলের মালিকানা কিনে নেয়। অচিরেই বাংলাদেশ পেপলের কার্যক্রম শুরু করার প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে। এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রানীতি ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানেও সংস্কার আনা হয়। কিন্তু তারপরও সংস্থাটি শেষ অবধি সফটওয়্যার সীমাবদ্ধতার কথা বলে আপাতত মুখ ফিরিয়ে নিল। এমন তথ্যই দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
Read more ...