মা: মলি, আস্তে কথা বলো! চিৎকার চেঁচামেচি করে বাড়ি মাথায় তুলছ কেন? দেখো না রনি কেমন চুপচাপ খেলছে?
মলি: এটা আমাদের খেলারই অংশ মা। খেলায় রনি আব্বু সেজেছে, যে কি না দেরি করে অফিস থেকে ফিরেছে। আর আমি তুমি সেজেছি!
Read more ...
Monday, November 4, 2013
পাঁচটি প্রাণীর নাম
শিক্ষক: রতন, পানিতে বাস করে এমন পাঁচটি প্রাণীর নাম বলো।
রতন: ব্যাঙ।
শিক্ষক: আর বাকি চারটা?
রতন: ব্যাঙের মা, বাবা, বোন আর প্রেমিকা।
Read more ...
আপাতত চা
মজনু গেছে পাত্রী দেখতে।
পাত্রীর বাবা: ব্যাটা, তুমি মদ খাও নাকি?
মজনু: না না আঙ্কেল, আপাতত চা হলেই চলবে!
Read more ...
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ওষুধ
হোজ্জা একবার স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য এক হেকিমের কাছ থেকে ওষুধ নিয়েছিলেন।
কয়েক মাস পর হোজ্জা তাঁর হেকিমের কাছে গেলেন ওই ওষুধ আনার জন্য।
‘আচ্ছা, গতবার তোমাকে কী ওষুধ দিয়েছিলাম, একেবারেই মনে করতে পারছি না।’
‘তাহলে ওই ওষুধ এখন থেকে আপনি নিজেই খাবেন’, হোজ্জা বিনীত গলায় বললেন।
By-A.R.Akash
Read more ...
কে বেশি পেটুক
নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে তাঁর কিছু বন্ধু এসেছেন। অতিথিদের তরমুজ দিয়ে আপ্যায়ন করলেন হোজ্জা। বন্ধুদের সঙ্গে খেতে বসলেন হোজ্জা নিজেও।
হোজ্জার পাশেই বসেছিলেন তাঁর এক দুষ্টু বন্ধু। তরমুজ খেয়ে খেয়ে বন্ধুটি হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসা রাখছিলেন। খাওয়া শেষে দেখা গেল, হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ।
দুষ্টু বন্ধুটি অন্যদের বললেন, ‘দেখেছেন কাণ্ড? হোজ্জা কেমন পেটুক? তার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ হয়ে গেছে’!
হোজ্জা হেসে বললেন, ‘আর আমার বন্ধুটির সামনে দেখছি একটা খোসাও নেই! উনি খোসাশুদ্ধ খেয়েছেন! এখন আপনারাই বলুন, কে বেশি পেটুক!’
By- A.R.Akash
Read more ...
Subscribe to:
Posts (Atom)
